মহামারি করোনা ভাইরাসের মরন থাবায় বাড়ছে বিশ্বে লাশের মিছিল, বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাসের আঘাতে লন্ডভন্ড, জনজীবন সুুুুরক্ষা ও মরনব্যধি করোনা ভাইরাস মোকাবেলার জন্য বাংলাদেশ সরকার, গত ১৪ই এপ্রিল থেকে ২১শে এপ্রিল এক সপ্তাহ কঠোর লকডাউনের ঘোষনা দিলে, কর্মজীবি মানুষ হয়ে পড়ে কর্মহীন, আয় রোজগারের পথ যখন বন্ধ, খেটে খাওয়া মানুষ গুলো যখন করোনায় আতংকিত হয়ে ঘরবন্দি। এমনই সময় অসহায়, কর্মহীন, দুস্থ, মানুষের পাশে এসে মানবতার ফেরিওয়ালা হয়ে দাঁড়ালো ” বাগমারা হেল্পলাইন ” নামক এই সংগঠনটি, গরিব অসহায়ের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরন অব্যাহত রেখেছেন।
গত কাল শনিবার (১৭ই এপ্রিল) বিকাল চারটার সময় বাগমারা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে গরিব অসহায় পরিবারের মাঝে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেন এই সংগঠনের সদস্যরা।
খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল সেমাই, লাচ্ছা, চিনি ,খেজুর , মুড়ি, চাল,ডাল, ও হাত ধোয়ার জন্য একটি করে সাবান।
সামাজিক ও মানবিক সংগঠন, "বাগমারা হেল্পলাইনের" এ্যাডমিন আব্দুুুুুুুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন , দেশের এই সংকটময় মূহুর্তে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই মুলত এই সংগঠন। আমরা ছাত্র মানুষ নিজেদের হাত খরচের টাকা জমিয়ে, সেই টাকা দিয়ে একটি তহবিল গঠন করে এবং অন্য সদস্যরা যে যার সাধ্যমতো চাঁদা দিয়ে খাদ্য সামগ্রী ক্রয় করে, প্রতি ইউনিয়নের অসহায় লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়া হয়। ২০শে জানুয়ারী ২০২০ সালে "বাগমারা হেল্পলাইন " নামক সেবামুলক ও সামাজিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসাবে আত্ন প্রকাশ করে। এই সামাজিক সংগঠনটি একটি অ-রাজনৈতিক ও অ-লাভজকনক সংগঠন, বাগমারা উপজেলায় ঘটে যাওয়া নিত্য নতুন বিভিন্ন ধরনের ঘটনার সঠিক তথ্য তুলে ধরাই এই সংগঠনের মুল লক্ষ্য। অল্প সময়ের ব্যবধানে ব্যাপক জয়প্রিয় হয়ে ওঠে বাগমারা হেল্পলাইন, বাগমারা হেল্পলাইনকে সুপরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতায় সব সময় পাশে ছিলেন, বাগমারা উপজেলা প্রশাসন।
তিনি আরো বলেন, দেশের এই ক্রান্তিকালেন যে কোন প্রান্ত থেকে আমাদের সাথে অনুদান দিয়ে এই মহৎ কাজে অংশ গ্রহন করতে পারেন। তিনি আরো বলেন আমাদের বাগমারা উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার পুরো রমজান মাসে এই সেবা মুলক কার্যক্রম চলমান থাকবে