জামায়াতে ইসলামী ইসলামের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খান। বুধবার (১৭ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান তার পোস্টে বলেন, জামায়াতের ইসলাম ও প্রকৃত ইসলাম এক নয়। ইসলামের নাম ব্যবহার করে তারা রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে এবং জনগণের সামনে ইসলামকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে। তার দাবি, এ কারণে মাঝে মাঝে মনে হয় ক্ষমতার স্বার্থে তারা যে কোনো পক্ষের সঙ্গেই যেতে পারে।
তিনি আরও লেখেন, রোজা ও পূজাকে এক করে দেখার মতো অবস্থান যাদের, তারা কীভাবে নিজেদের দলের নামের সঙ্গে ‘ইসলাম’ শব্দ ব্যবহার করে—এ প্রশ্নও তোলেন তিনি। ইসলামকে এতটা হালকা করে ব্যবহার করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন এই বিএনপি নেতা।
রাশেদ খান বলেন, অনেক সময় দেখা যায় টুপি পরে চুরি করতেও মানুষ ভয় পায়, কিন্তু জামায়াতের নেতারা ধর্মীয় লেবাসে থেকেও মিথ্যা বক্তব্য দিতে দ্বিধা করে না। তার ভাষায়, কেন কওমি মাদ্রাসার অনেক আলেম ও শিক্ষার্থী জামায়াত-শিবির নিয়ে সমালোচনা করে, তা এখন আরও স্পষ্ট হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটি রাজনৈতিক জোট থেকে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের সরে আসার সিদ্ধান্তকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখেন এবং বলেন, শেষ সময়ে তারা জামায়াতের অবস্থান বুঝতে পেরেছে।
কৌশলের নামে ধর্মকে ব্যবহার করা হলে তাদের সঙ্গে জোটে থাকাও অনুচিত। তার অভিযোগ, জামায়াতের শীর্ষ নেতারা মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন এবং দলীয়ভাবে সবাইকে চাঁদাবাজ বলা হচ্ছে, যা তিনি গ্রহণযোগ্য মনে করেন না।
তিনি দাবি করেন, ব্যক্তিগত বা সামাজিক প্রয়োজনে সহায়তার চেয়ে দলীয় তহবিল সংগ্রহকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও অনেকে অভিযোগ করেন। এভাবে ইসলামের নাম ব্যবহার করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।