কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি: ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুবালী ব্যাংক কাঠালিয়া উপ শাখার ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপ শাখা ব্যবস্থাপক দাবি করেছেন, তিনি কোনো টাকা নেননি।
অভিযোগকারী উপজেলার আমরিবুনিয়া গ্রামের লতিফ হাওলাদারের ছেলে কালাম হাওলাদার জানান, তিনি বাড়ি নির্মাণের জন্য পুবালী ব্যাংক কাঠালিয়া উপ শাখায় ১৫ লাখ টাকা ঋণের আবেদন করেন। ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে উপ শাখা ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান বিভিন্ন সময় লোক মারফত তার কাছ থেকে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কালাম হাওলাদারের দাবি, প্রায় দুই বছর ধরে বিভিন্ন অজুহাতে ঋণের বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা হয়। একপর্যায়ে ব্যাংকের বড় কর্মকর্তাদের জন্য চিংড়ি ও বেলে মাছ কিনে দেওয়ার কথাও বলা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে চলতি বছরের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ঋণ দেওয়ার কথা জানানো হলেও সেপ্টেম্বরের শেষদিকে তাকে জানানো হয়, তার ঋণ অনুমোদন হয়নি। ফলে ঋণ দেওয়া সম্ভব হবে না।
এ ঘটনায় ঋণ দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়া এবং তার আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কালাম হাওলাদার।
অভিযোগের বিষয়ে পুবালী ব্যাংক কাঠালিয়া উপ শাখার ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমি কোনো টাকা নেইনি। প্ল্যান ও অন্যান্য কাজের জন্য যে টাকা খরচ হয়েছে, তা তিনি নিজেই দিয়েছেন। লোন পাস না হওয়ার কারণ হলো, তার ছেলে বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর লেনদেনে সমস্যা ছিল। এক বছরের মধ্যে তিনি তিন মাস টাকা পাঠিয়েছেন, বাকি নয় মাস পাঠাননি। তাই হয়তো লোন পাস হয়নি।
এ বিষয়ে পুবালী ব্যাংকের বরিশাল অঞ্চলের ডিজিএম মুহাম্মদ মোশাহিদ উল্লাহ বলেন, ঋণের বিষয়ে শাখা বা উপ শাখা ব্যবস্থাপক কিংবা ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। কেউ নিয়ে থাকলে এবং এর সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।