ক্রাইম সিলেটের আবুলের নিউজ বাণিজ্য, মানুষের নামে মিথ্যা নিউজ করে দৈনিক অর্থ আদায়।
এম.এ রহিম সিলেট বিশেষ প্রতিনিধি।
সিলেটে এক সময়ের শীর্ষ দেহ ব্যবসায়ীর দালাল ও
সিলেট জেলা কোর্টের সামনে পান বিক্রেতা বর্তমান সময়ের সাংবাদিক/সম্পাদক ক্রাইম সিলেটর মোঃ আবুল হোসেন এর নিউজ বাণিজ্য ও মিথ্যা নিউজের নামে দৈনিক অর্থ আদায়।রেয়াই পাচ্ছে না সিলেটের অলিগলির সাধারণ মানুষরাও।
তিনি হঠাৎ হয়ে গেলেন সিলেটের বড় সাংবাদিক পরিচয়দানকারী রেজিস্ট্রেশন বিহীন বুয়া অনলাইন পোর্টালের মালিক, তার পোর্টালের নাম ক্রাইম সিলেট।
সম্পাদক আবুল হোসেন, যার পেশা হচ্ছে
মিথ্যা নিউজ করে মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ আদায় করা। তার দুই মোবাইল নাম্বার টেকিং করলে
বেড়িয়ে আসবে তলের বিড়াল সিলেট বিভিন্ন সীমান্তে অপরাধী চোরাকারবারিদের দেওয়া টাকায় হিসাব 01725167503/01711707232! এসব নাম্বার দিয়ে হুমকি দিয়ে নিউজের কথা বলে নিউজ বাণিজ্য করে আসছে।
দৈনিক সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকার জনসাধারণকে ব্ল্যাকমেইল করা এই ভুঁইফোড় সাংবাদিক আবুলের অনৈতিক ও অমানবিক কর্মকান্ডের প্রতি নিন্দা জানিয়েছেন গোয়াইনঘাট উপজেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ ও স্হানীয় সাংবাদিক বৃন্দ।
কে এই আবুল?
স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে তার নজর বিহীন অতীতের ও বর্তমানের অবৈধ কর্মকান্ড।
অনুসন্ধান সূত্রে জানতে পারি বছর আটেক আগে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন এর বগইল কান্দি গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসেন, ওইখান থেকে জামাত শিবির করায় জাতীয় নির্বাচনের পরে পালিয়ে এসে সিলেটের এক দেহ বিক্রেতা মহিলার সাথে হাত মিলিয়ে তার যাত্রা শুরু করে, শুরু হয় তার দেহ ব্যবসায়ির দালালি এবং লোকসমাজের নজর এড়িয়ে থাকার জন্য
এই ব্যবসার পাশাপাশি খুলে বসে পান সিগারেটর দোকান/বাক্স নিয়ে পান দোকানের ব্যবসা।
কিছুদিন আগে গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগের এক নেতার নামে নিউজ এসেছে বলে হাতিয়ে নিয়েছে ৫০০০ টাকা। জাফলংয়ের নায়াবস্তি গ্রামের আলিম উদ্দিন কে নিউজ ও মামলা থেকে বাচাঁবে বলে ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে পরে ওর বিপক্ষে নিউজ করে।
জৈন্তাপুরের জনৈক জামালের ৫০০০০ হাজার,জনৈক করিমের ৭০০০০ হাজার,জনৈক রুবেল ৪০০০০ হাজার টাকা,জনৈক শহিদের ৭০০০০ হাজার,,জনৈক সামছুল ১ লক্ষ টাকা,সিদ্দিক মিয়ার ৩০০০০ হাজার টাকা,জনৈক জয়দুল ইসলাম ৩০০০ হাজার টাকা,আবুল কালাম আজাদের ২০০০ টাকা,জাঙ্গির আলমের ৫০০০ টাকা,
এখন দৈনিক দিয়ে যাচ্ছে নাজিম উদ্দিন ও জামাই সুমন বাহিনী-এইভাবে হাতিয়ে নিয়েছে সাপ্তাহিক হিসেবে লক্ষ লক্ষ টাকা। বর্তমান এসব চাঁদা না দেওয়ায় কারণে মিথ্যা নিউজ করে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
সিলেটের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় চাঁদাবাজ আবুল বসিয়েছে চাঁদাবাজির কারখানা তার নামে কেউ চাঁদা না দিলে।
শুরু করে মিথ্যা নিউজ করা, কোন ধরনের অপরাধ না করলেও তার করা মিথ্যা নিউজে হতে হয় লোকসমাজে সাধারণ মানুষের চোখে অপরাধী।
গতকাল তার দেওয়া এক ভিডিও নিউজ দেখে নাম বলতে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী চোখের লজ্জায় ফাঁসি দিতে গিয়েছিল এক ব্যাক্তি।
গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর, কোম্পানিগঞ্জ, কানাইঘাটের জন সাধারণ তার করা এসব মিথ্যা নিউজের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করেন।