হাসান বদরুল - জৈন্তাপুর প্রতিনিধি
সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলা ও গোয়াইনঘাট উপজেলা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ৩ টি উপজেলা ই ভারত পাশ্ববর্তী। গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলায় গত ১ বছরে কয়েক-শ কোটি টাকার অবৈধ পণ্য ভারতে পাচার হয়েছে এবং এখন ও হচ্ছে।
গতকাল জাফলং থেকে আগত একটি ট্রাক ভর্তি পায় ১৭ লক্ষ টাকার মালামাল Sylhet RAB9 আটক করে এক আসামী সহ,মালের মালিকরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এসব মালের মালিক পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের লাব গ্রামের সুলতান মাহমুদ ও জাফলং ইউনিয়নের কালিনগর গ্রামের লায়েস মিয়া ও মেহেদী হাছান।
আবার প্রতিদিন ভারতের রোগাক্রান্ত গরু শুধুমাত্র সীমান্ত অন্তবর্তী বিভিন্ন উপজেলা দিয়ে প্রায় শত শত গরুর পাশাপাশি ভারতীয় বিড়ি ভারতীয় সিগারেট, ভারতীয় মোটরসাইকেল,মরণ নেশা ইয়াবা,মদ,ফেনসিডিল,গাঁজা সহ বিভিন্ন গাড়ীর পার্স বাংলাদেশে আসছে, গত ২০১৮ সালে যখন সমস্ত উপজেলায় চোরাকারবারির সংখ্যা ছিলো ৩০/৪০ জন।
বর্তমান সময়ে শুধুমাত্র একটি ইউনিয়নে চোরাকারবারির সংখ্যা ২০০/২৫০ জন সমস্ত উপজেলায় গড় প্রায় ৬০০/৭০০ চোরাকারবারি হবে।
বিজিবি,সহ আইনশৃংঙ্খলা বাহিনী কে মাসোয়ারা দিয়ে এবং সরকার দলীয় কিছু নেতাকে সম্মানী ভাতা দিয়ে সিমান্ত এলাকায় চলছে এ অপকর্ম।
ইদানিং ভারতে মটরশুঁটির আকাল পড়ায় বাংলাদেশ থেকে শুধুমাত্র জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট উপজেলা বডার দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৭/৮ হাজার বস্তা মটরশুঁটি ডাল ভারতে পাঁচার হচ্ছে, নদীপথ ও জঙ্গল ব্যাবহার করে প্রতিদিন কয়েক হাজার বস্তা সুপারী ভারত থেকে বাংলাদেশ নিয়ে আসছে।
গত কয়েক দিন এবং পুলিশে হাতে একটি চালান আটক হওয়ার পর তলের বিড়াল বেড়িয়ে এসেছে। বুঝতে আর বাকি নাই যে এ যাবত কালের সবচেয়ে বড় বড় অস্রের চালান এ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ আসছে ,স্হানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় একাধিক বার নিউজ হলে ও থেমে চোরাকারবারিদের দুরাত্মা।
বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকার পর ও সরকার কে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর সীমান্তে প্রকাশ্যে দিনের আলোতে ও রাতের অন্ধকারে চলছে সীমান্তে চোরাকারবারির হাটবাজার।
পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতে করোনা দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে, এ অবস্থায় বাংলাদেশের সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর - কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা।
এসব উপজেলার সীমান্তবর্তী স্থানীয়দের দাবী
বিজিপি দৈনিক মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এসব সীমান্তবর্তী এলাকায় সোস দিয়ে পরিচালনা
করে।
স্থানীয়দের দাবি সীমান্ত এলাকা চোরাকারবারি মুক্ত করতে সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করেন।