সাংবাদিক সহ প্রসাশনের উদাসিনতায় বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ্য পুকুর খনন
সাজিদুল(করিম),নাটোর জেলা প্রতিনিধিঃ
নাটোরের শস্যভাণ্ডার খ্যাত সিংড়া চলনবিলে ফসলি জমির টপ সয়েল যাচ্ছে ইটভাটায়। কমছে আবাদি জমি ও ফসল। ফসলি জমি দিন দিন কমে যাওয়ার চাষাবাদ কমে যাচ্ছে। যার বিরূপ প্রভাব পড়ছে পরিবেশ-প্রকৃতিতে।
এছাড়াও উক্ত কৃষি জমির মাটি আনা নেওয়ার জন্য দানবীয় চাকার ট্রলি কারণে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়ক ও ভেঙ্গে পড়ছে। অনেকে এসব পাকা সড়কে এস্কেভেটর চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে অথচ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রশাসনের ভূমিকা রহস্যজনক।
স্থানীয় এক শ্রেণির অসৎ মাটি ব্যবসায়ী, ও এস্কেভেটর মালিকরা জমির মালিকদের ফুসলিয়ে এইসব জমির মাটি ক্রয় করে। ফলে এসব জমি ফসল উৎপাদনে স্থায়ীভাবে একবারে অক্ষম হয়ে পড়তে পারে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, ফসলি জমি কাটতে উপজেলা প্রশাসন বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলেও একটুও থামেনে মাটি কেনাবেচা, তারপর এক্সভেটর ( ভ্যাকু ) দিয়ে গভীর গর্ত করে মাটি কেটে ট্রাকে ভরে স্থানীয় ইটভাটায় পৌছে দেয়। এসব অবৈধ যানের অবাধ চলাচলের কারণে মারাত্মক হুমকির মুখে রাস্তাঘাট, পরিবেশ ও জনজীবন।
ছোট-বড় দুর্ঘটনাসহ বাড়ছে মৃত্যু। যার ফলে এসব বাহনের চাহিদাও বাড়ছে বহুগুন। রোড পারমিশনবিহীন এসব অবৈধ ট্রাক্টর লাইসেন্সবিহীন চালক দ্বারা চালিয়ে রাস্ত-ঘাট ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করলেও এসব বন্ধে মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ছাড়া কার্যকর কোনে পদক্ষেপ নিচ্ছে না স্থানীয় প্রশাসন।