সিলেট নগরের মাখন মিয়ার গোস্তের দোকান’ নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ।
সিলেট ব্যুরো:
সিলেট দীর্ঘ চার দশক ধরে আমরা বংশ পরম্পরা সিলেট নগরের শিবগঞ্জে ‘মাখন মিয়ার গোস্তের দোকান’র মাধ্যমে অত্যন্ত সুনামের সাথে মাংসের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। আমাদের বিরুদ্ধে কখনও কোনো অভিযোগ ওঠেনি।
কিন্তু প্রাচীনতম এ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করতে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন নানা অভিযোগে আমাদের দোকান থেকে বহিস্কৃত দোকান কর্মচারী ফারুক আহমদ।
শনিবার (২৪ এপ্রিল) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন সিলেট নগরের শিবগঞ্জে ‘মাখন মিয়ার গোস্তের দোকান’র মালিক মো. রিয়াজ উদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনে রিয়াজ উদ্দিনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তাঁর মেয়ে লিমা আক্তার মিম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, টাকা পয়সা হিসাবে গড়মিলসহ নানা অনিয়মের কারণে প্রায় ২ মাস পূর্বে দোকানের প্রধান কারিগরের পদ থেকে বহিস্কার করি। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। পরবর্তীতে আমাদের দোকানের পার্শ্ববর্তী মাংসের দোকানে যোগ দেন ফারুক। সেই দোকান থেকে তিনি আমাদের দোকানের কাষ্টমারদের ডেকে নিয়ে যান। তাছাড়া আমাদের ক্ষতি হোক এমন ধরণের আচরণ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন- ‘বহিস্কারের পর থেকে ফারুক আমাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘মাখন মিয়ার গোস্তের দোকান’র বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ এপ্রিল সকালে আমাদের জবাইকৃত গরু অন্তঃসত্ত্বা ছিলো বলে মিথ্যা অপপ্রচার চালান। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে ওই দিন সকালে আমরা একটি সুস্থ গরু স্বাস্থ্য নীতিমালা মেনে যথারীতি জবাই করি। কিন্তু গরু জবাই করার কয়েক ঘন্টা পর আমাদের দোকানের সাবেক কারিগর ফারুক ড্রেন থেকে একটি গরুর বাচ্চার ছবি তুলে আমাদের গরুর পেট থেকে বাচ্চা বের হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালান। অথচ গত ২০ এপ্রিল দক্ষিণ সুনামঞ্জের পাথারিয়াবাজার থেকে আব্দুশ শুকুর মিয়ার কাছ থেকে পাঁকা রশিদের মাধ্যমে (রশিদ নং-৭৫) জবাই করার জন্য উপযুক্ত একটি গরু ক্রয় করে আনি।
সেই গরুটি আমরা ২২ এপ্রিল সকালে সকল নিয়ম মেনে জবাই করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করি। পরে ফারুকের অপপ্রচারে আমরা বিস্মিত হয়ে যাই। আমাদের ঐতিহ্যবাহি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করায় আমরা ফারুক আহমদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, আমরা সব সময় হালালভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে ক্রেতাদের উন্নত সেবা দিয়ে যাচ্ছি।
ক্রেতাদের আস্তায় থাকার কারণে শিবগঞ্জে আমরা দীর্ঘদিন ধরে সফলতার সাথে ব্যবসা করে আসছি। আমরা সকল ক্রেতাসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি যে, আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে যেন কেউ বিভ্রান্ত না হন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, ‘মাখন মিয়ার গোস্তের দোকান’র মালিক মো. রিয়াজ উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী মোছা. নয়ন তারা প্রমুখ।