১সড়কে বদলে যাবে নানিয়ারচরে ৫হাজার পরিবারের ভাগ্য
।।মাহাদী বিন সুলতানঃ রাঙামাটি প্রতিনিধি।।
নানিয়ারচর উপজেলার বড়পুল পাড়া এলাকা থেকে মহালছড়ি পর্যন্ত উন্নত সড়ক নির্মাণ হলে বদলে যাবে এলাকার ৫হাজার পরিবারের ভাগ্য। দুর্গম এলাকা হওয়ায় যাতায়াতে দীর্ঘদিন ভোগান্তিতে এলাকাবাসী। সড়কটি উন্নত হলে জনসাধারণ এর যাতায়াত, পাহাড়ি পণ্য পরিবহণ, শিক্ষার মান উন্নয়নসহ জীবন যাত্রার মান বদলে যাবে।
পার্বত্য জেলা রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার দুর্গম এলাকা ১নং সাবেক্ষং ইউনিয়নের বড়পুল পাড়া এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথে ভঙ্গুর এই সড়কটি এখন পর্যন্ত চলাচলে অযোগ্য। আম, জাম, কাঁঠাল, আনারস, লিচু ও যাবতীয় পাহাড়ি উৎপাদিত পণ্য সমূহ মাথায় করে সাপ্তাহিক হাটে যান স্থানীয় চাষি ও ক্রেতা-বিক্রেতারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি উন্নত সড়ক ও যাতায়াতে ভাল যানবাহন না থাকায় মরাচেঙ্গী, বাঁকছড়ি, পাতাছড়া, বড়পুল পাড়াসহ এলাকার বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে জীবনযাপন করছেন। রাত দুপুরে জরুরী প্রয়োজনে রাঙামাটি, খাগড়াছড়িসহ কোথাও যেতে হলে একমাত্র বাহন তখন ইঞ্জিন চালিত বোর্ট। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও কৃষি খাতে নেই উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা। এই সড়কটি উন্নত হলে এলাকাবাসীর জীবনযাত্রায় ব্যপক পরিবর্তন আসবে বলেও জানান স্থানীয় নরেন্দ্র চাকমা।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের উপজেলা প্রকৌশলী রনি সাহা জানান, নানিয়ারচর উপজেলার সাবেক্ষং বড়পুল পাড়া হতে পাতাছড়ি হয়ে মহালছড়ি পর্যন্ত একটি উন্নত সড়ক নির্মাণ প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন আছে। যেটা পার্বত্য চট্টগ্রাম পল্লি উন্নয়ন প্রকল্পের ৩য় পর্যায়ে একনেক এ অনুমোদন হওয়ার কথা রয়েছে। চলমান লকডাউনে সরকারের অনেক উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাহত হয়েছে। সিএইচটি প্রজেক্ট ও বিলাইছড়ি-কারিগর পাড়া-কাপ্তাই সড়ক নির্মাণ প্রকল্প ২টি লকডাউন শিথিল হলেই দ্রুত অনুমোদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আশাকরছি দ্রুতই প্রক্রিয়াধীন এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হবে।