1. dainikbijoyerbani@gmail.com : দৈনিক বিজয়ের বানী : দৈনিক বিজয়ের বানী
  2. zakirhosan68@gmail.com : dev : dev
ভান্ডারিয়ায় ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েই চলছে - dainikbijoyerbani.com
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
ad

ভান্ডারিয়ায় ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েই চলছে

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৪৯ Time View

 

মো:ফেরদৌস মোল্লা,পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি

কখনও ঠান্ডা কখনও গরম। এমন বৈরী আবহাওয়ার কারণে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। প্রতিদিনই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৩০-৩৫ জন। তবে আক্রান্তোদের মধ্যে শিশু এবং মহিলাদের সংখ্যাই বেশি। গত ২৪ ঘন্টায় ভর্তি হয়েছে ২৮ জন। এক সপ্তাহে ভর্তি হয়েছে ১৩০ জন। শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় হিমশিম খেতে হচ্ছে এখানকার চিকিৎসকদের। অন্যদিকে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন রোগীর স্বজনরা।
ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, এক মাসে হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত নারী-শিশু-পুরুষ মিলে ৩৫৪ জন রোগীকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বুধবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, এক সপ্তাহে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে কয়েকশ মানুষ। উপজেলা হাসপাতাল ও ক্লিনিকে তিল ধারণের ঠাঁই নেই রোগীদের। রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালে পর্যাপ্ত বেড না থাকায় মেঝে, করিডর এমনকি বারান্দাসহ যে যেখানে পারছেন চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালে খাবার স্যালাইন থাকলেও আইভি স্যালাইনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি হাসপাতালটি ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নিত করনের কারনে পুরাতন ভবন ভেঙ্গে নতুন ভবন তৈরীর জন্য ১০ শয্যা বিশিষ্ট ডায়রিয়া ওয়ার্ডটি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। যার ফলে ডায়রিয়া রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড না থাকায় রোগ নিরাময় ও নিয়ন্ত্রণ সহজ হচ্ছে না। বিশেষ করে শিশুদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড খুবই জরুরি। তাছাড়া শিশু বিশেষজ্ঞ না থাকায় হাসপাতালে কর্মরত মেডিকেল অফিসাররাই শিশুদের চিকিৎসা দিচ্ছেন।
চিকিৎসাধীন কয়েকজন রোগী জানান, হাসপাতালে রোগীর চাপ এবং বেড না পেয়ে মেঝেতে তাদের থাকতে হচ্ছে। এতে করে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এছাড়া হাসপাতালে টয়লেট সংখ্যা সিমীত, যা আছে তা ব্যবহারের অনুপযোগী। টয়লেটে যাওয়ার জন্য রোগীদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। যা ডায়রিয়া রোগীদের জন্য কষ্টের।
চরখালী গ্রামের ষাটউর্ধ বয়সের ছত্তার হাওলাদার জানান, সকালে পাতলা পায়খানা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। কোন জায়গা না পেয়ে ফ্লোরে আছি। হাসপাতাল থেকে একটি স্যালাইন দিয়েছেন, এক হজার পঞ্চাশ টাকা দিয়ে বাহির থেকে বাকী ওষুধ কিনেছি।

হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের কর্তব্যরত সিনিয়র স্টাফ নার্স (সেবিকা) ফাহিমা আক্তার জানান, গড়ে ৪০ জনেরও বেশি নতুন ডায়রিয়া রোগী দিনে ভর্তি হচ্ছে। হাসপাতালে নতুন ও পুরাতন মিলে সব সময় ৬০ থেকে ৭০ জন ডায়রিয়ার রোগী ভর্তি থাকছে। এদের চিকিৎসা দিতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি।

ad

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ad
ad
© All rights reserved 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি