
কলাপাড়ায় দুটি পরিবারের যাতায়াতের পথ আটকে নির্মান করেছে বসতঘর । এক ফুটেরও কম প্রশস্ত সংকীর্ণ পথ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতেন তারা। সেই চলাচলের পথে ব্লেড ও ভাঙা কাঁচ ফেলে রাখারও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা । পৌর শহরের চিংগুড়িয়া এলাকায় দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এমনি চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে তারা।
ভুক্তভোগী শৈলেন চন্দ্র শীল ও অনিল চন্দ্র শীলের পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী পরিতোষ শীল ও হরিদাস শীল প্রভাব খাটিয়ে পৌরসভার সড়কের জন্য নির্ধারিত ০.৭২ শতাংশ জমি দখল করে ঘর নির্মাণ করেছেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানালে তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক চারটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করা হয়। তবে প্রতিটি মামলাতেই ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে রায় আসে।
এরপরও রাস্তা ছেড়ে না দেওয়ায় গত ২২ এপ্রিল পৌরসভার প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন অনিল চন্দ্র শীল। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শেষে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সড়কের জায়গা চিহ্নিত করে খুঁটি স্থাপন করে এবং ঘর অপসারণের জন্য দুই দফা সময় দেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরিতোষ শীল পৌরসভার সচিব কাব্য লাল চক্রবর্তীসহ আরও তিনজনের বিরুদ্ধে দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পরিতোষ শীল বলেন, তার ক্রয়কৃত জমির প্রায় দেড় শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। এ কারণেই তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। তার দাবি, সংশ্লিষ্ট জমির দলিলে কোনো রাস্তার উল্লেখ নেই।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাউছার হামিদ বলেন, “সড়ক দখলের বিষয়টি সমাধানে প্রশাসনের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ###
Leave a Reply