
শাল্লার মনুয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা
আতঙ্কে সেবাদানকারিরা।
শাল্লা প্রতিনিধি-
সরকারের কমিউনিটি ক্লিনিক মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবায় গ্রামীণ পর্যায়ে অগ্রনি ভূমিকা পালনসহ জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে। তবে অবকাঠামোগত জরাজীর্ণতা, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন উক্ত সেবায় নিয়োজিত সেবাদানকারিদের বাধার সৃষ্টি করছে।
এমনই দৃশ্য দেখা গেছে সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪নং শাল্লা ইউনিয়নের মনুয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের ক্ষেত্রে।
রবিবার ২৫ এপ্রিল মনুয়া কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায়, মাত্র ১৮ কিংবা ১৯ বছর পূর্বে নির্মিত ভবনটি নিতান্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
ওই ভবনের চারপাশের দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ে ইট দেখা যাচ্ছে। ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ে রড দেখা যাচ্ছে এবং রডে ঝং ধরছে।
যেকোনো সময় ওই ভবনের ছাদ ধ্বসে যেতে পাড়ে। ক্লিনিকে উপস্থিত সেবাদানকারিগণ জানান আমরা অত্যন্ত ভয়ে ভয়ে কাজ করছি এবং উচ্চ ঝুঁকিতে থেকেই জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করছি। যেকোনো সময় ক্লিনিক ভবনটি ধ্বসে প্রাণহানীর মতো ঘটনা ঘটতে পারে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মনুয়া গ্রামের আলা উদ্দিন চৌধুরী উক্ত ক্লিনিকের একজন ভূমি দাতা।
তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের অধীন গত ১৯৯৯ সালে রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে ভূমি দান করেছেন।
পরে সরকার উক্ত স্থানে গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে ফ্লাড লেভেলের উপরে পাকা ক্লিনিক ভবন নির্মাণ করেন। স্থানীয়রা জানান, নির্মাণের সময়েই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত নি¤œমানের মালামাল দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করেছে। যার ফলে মাত্র কয়েক বছরেই ভবনটির এ অবস্থা হয়েছে।
এব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি সবেমাত্র এখানে এসেছি। আমি কালই ওই ক্লিনিকে যাবো এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করবো।
Leave a Reply