1. dainikbijoyerbani@gmail.com : দৈনিক বিজয়ের বানী : দৈনিক বিজয়ের বানী
  2. zakirhosan68@gmail.com : dev : dev
জীবনে স্বপ্নেও ভাবি নাই আমি ঘরের মালিক হমু - dainikbijoyerbani.com
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
ad

জীবনে স্বপ্নেও ভাবি নাই আমি ঘরের মালিক হমু

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২২ মার্চ, ২০২৩
  • ২০২ Time View

জীবনে স্বপ্নেও ভাবি নাই আমি ঘরের মালিক হমু

মোঃ লিমন গাজী

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি

আশ্রয়ন প্রকল্প ২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টেলিভিশনে বক্তব্য দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।আর সেই বক্তব্য বরগুনার তালতলী উপজেলা পরিষদের পায়রা সম্মেলন কক্ষ বসে দেখছিলেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক ফয়সাল আহমেদ,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত আনোয়ার তুমপা, উপকার ভুগি পরিবার,জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে বানারীপাড়া পৌরসভার উত্তরপাড় আশ্রয়ণ কেন্দ্রের উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। তখন তার কথা শুনে পিছনের চেয়ারে বসে নিরবে কাঁদতে ছিলেন অনেক উপকারভুগি। তেমনি এক উপকার ভুগি তালতলী উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা বৃদ্ধ জামাল পিয়াদা(৬০)।

কৌতুহল নিয়ে জানতে চাইলে কোন কথা বললেন না চুপ রইলেন, আর দু চোখ দিয়ে ঝরে পরছে পায়রার পানি।
অনেকক্ষণ পরে হাত দিয়ে চোখ মুছতে মূছতে বললেন,
বাদশা চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে কমিউনিটি ক্লিনিকের
পরিত্যক্ত যায়গায় স্ত্রীকে নিয়ে ছিলাম মানুষের বাড়িতে মাসঠিয়া আললাহাম আর বউ করছে ঝি এর কাজ।
পরের যায়গায় রইছি। পোলারা বড় অইছে বিয়া হরছে মোগো কোন খোঁজ খবর লয়নায়।‘জীবনে স্বপ্নেও ভাবি নাই আমি ঘরের মালিক হমু, জায়গার মালিক হমু, খাই বা না খাই নিজের ঘরে শান্তিতে ঘুমামু, এসব ছিলো মোগো মতো গরীবের কাছে দু:স্বপ্ন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার নতুন ঘরের মালিক হইছি, ২ শতাংশের জায়গার মালিক হইছি শান্তিতে বসবাস করমু মরার আগে নিজের জমিতে মরতে পারমু এর চেয়ে আর আনন্দ কি আছে কন। এহন মুই জমি ও ঘরের মালিক হ্যা স্বপ্নের মতো মনে হয়।

শারিকখালী ইউনিয়নের কচুপাত্রা আশ্রয়ন প্রকল্পে জায়গা ও ঘর পেয়ে এমনটিই বলছিলেন বয় বৃদ্ধ জামাল পিয়াদা । শুধু জামাল পিয়াদা নয় কচুপাত্রা ল আশ্রয়ন প্রকল্পের স্বামী পরিত্যক্তা রিনা বেগম (৪০), পরিভানু (৫২) জাকিয়া বেগম(৪৫) এর মতো অনেক উপকারভোগী প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর পেয়ে স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলেছেন।

লাল টিনের ছাউনি ঢাকা তালতলী উপজেলার আশ্রয়ন প্রকল্প ২ গৃহহীন মানুষগুলোর মুখে হাসির ফুটিয়েছে। দু’চোখে স্বপ্ন ছিল পাকাবাড়িতে বসবাস, আর একটু নিজনামে জায়গা বা সম্পত্তির। তবে সেই স্বপ্ন অনেকটা অবাস্তব ছিল অসহায় মানুষদের জন্য। এখন এরা খুঁজে পেয়েছেন তাদের কাঙ্খিত স্বপ্নের ঠিকানা, বিনামূল্যে মাথাগোঁজার এই পাকা ঘর পেয়ে খুশি হতদরিদ্র লোকগুলো। প্রাণ ভরে দোয়া করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য।

আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য প্রথম ও দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পর্যায় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার ২৭২ টি ঘর এখন দৃশ্যমান। আজ কচুপাত্রায় আশ্রয়নে আরো ৩০ পরিবার পেল জমি সহ ঘর। ফাঁকা জায়গায় মনোরম পরিবেশে লাল টিনের ছাউনিতে দৃশ্যমান ঘরগুলো দেখতে সুন্দর এবং এইসব বাড়ী দেখে ভূমিহীন পরিবারগুলোর মনের আনন্দ যেন ধরে না। নির্মিত এই বাসগৃহে পানি, বিদুৎসহ থাকছে আধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা।

মুজিব শতবর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না। প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে তালতলী উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নের ভূমিহীন ও গৃহহীন আজ পর্যন্ত ৩০২ টি পরিবারের স্বপ্ন পুরণ হয়েছে। দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে আরো ১৫৭টি ঘর নির্মাণ সেমিপাকা ঘর নির্মান কাজ।

এ প্রসঙ্গে তালতলী উপজেলা নির্বাহী সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা দেশের ন্যায় এ উপজেলার ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্যও সুন্দর মনোরম পরিবেশে মানসম্মত ৩০টি পাকা বাড়ি নির্মাণ করে ২ শতক জমিসহ ঘরের কবুলিয়ত দলিল, নামজারি খতিয়ান, রেকর্ড সংশোধনী ফি জমা দানের ডিসিআর, সার্টিফিকেট, দাখিলা ইত্যাদি তুলে দেওয়া হয়েছে। এখন আরো ১৫৭টি ঘরের কাজ চলছে

ad

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ad
ad
© All rights reserved 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি