1. dainikbijoyerbani@gmail.com : দৈনিক বিজয়ের বানী : দৈনিক বিজয়ের বানী
  2. zakirhosan68@gmail.com : dev : dev
ইরান যুদ্ধে ৪০ দিনের সংঘাতে ৪২টি বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র - dainikbijoyerbani.com
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
ad

ইরান যুদ্ধে ৪০ দিনের সংঘাতে ৪২টি বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তজার্তিক ডেস্ক
  • Update Time : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
  • ১৫ Time View

 

ছবি: সংগৃহীত
ইরানকে লক্ষ্য করে পরিচালিত সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’তে ৪০ দিনের সংঘাতে অন্তত ৪২টি উড়োজাহাজ হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ধ্বংস হওয়া এসব সম্পদের মধ্যে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, রিফুয়েলিং ট্যাংকার ও নজরদারি বিমান রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের অধীন গবেষণা সংস্থা কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিস (সিআরএস)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে ধ্বংস হওয়া উড়োজাহাজগুলোর একটি তালিকাও দেওয়া হয়েছে, যেখানে দেশটির অত্যাধুনিক কিছু বিমানও রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, তালিকায় রয়েছে ৪টি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান, ১টি এফ-৩৫এ স্টেলথ ফাইটার, ১টি এ-১০ থান্ডারবোল্ট আক্রমণ বিমান, ৭টি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং ট্যাংকার, ১টি ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমান, ২টি এমসি-১৩০জে কমান্ডো বিশেষ অপারেশন বিমান, ১টি এইচএইচ-৬০ডব্লিউ রেসকিউ হেলিকপ্টার, ২৪টি এমকিউ-৯ রিকন ড্রোন এবং ১টি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন উচ্চ-উচ্চতা নজরদারি ড্রোন।

সিআরএসের হিসাবে, এসব ধ্বংস হওয়া উড়োজাহাজের মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি এই অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম)। যুদ্ধ চলে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত, প্রায় ৪০ দিন। পরদিন ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে ইরানের সরকার পরিবর্তন এবং দেশটির প্রায় ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। তবে ওই লক্ষ্য অর্জিত হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

এছাড়া বলা হয়, যুদ্ধের প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারের মৃত্যুর দাবি করা হলেও পরবর্তী সময়ে যুদ্ধজুড়ে বিভিন্ন সামরিক ও সরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তার মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়।

তবে প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত লক্ষ্য পূরণ হয়নি—ইরান সরকার বহাল রয়েছে এবং ইউরেনিয়াম মজুতের অবস্থানও নিশ্চিত করতে পারেনি ওয়াশিংটন।

সিআরএসের এই প্রতিবেদনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ সংঘাতের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্যরা যুদ্ধের ব্যয় ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে পেন্টাগনের কাছে একাধিকবার তথ্য চাইলেও এখনো পূর্ণাঙ্গ সরকারি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।

জেবি/জেএইচআর

ad

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ad
ad
© All rights reserved 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি