1. dainikbijoyerbani@gmail.com : দৈনিক বিজয়ের বানী : দৈনিক বিজয়ের বানী
  2. zakirhosan68@gmail.com : dev : dev
জাফলং সীমান্তে যুবলীগ নেতা পরচিয় দিয়ে নাজিম উদ্দিনের বেপরোয়া চাঁদাবাজি। - dainikbijoyerbani.com
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
ad

জাফলং সীমান্তে যুবলীগ নেতা পরচিয় দিয়ে নাজিম উদ্দিনের বেপরোয়া চাঁদাবাজি।

সিলেট ব্যুরো:
  • Update Time : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪০৭ Time View

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ও তামাবিলের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে হঠাৎ গত কয়েক মাস থেকে বেড়ে গেছে এই মটরশুঁটির পাচার ভারতে এই পণ্যটির দাম বেড়ে যাওয়ায় বিগত কয়েক মাস ধরে মটরশুঁটির পাচার বেড়েছে বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে এমন তথ্য।

তাই দেশী সম্পদ নির্বিঘ্নেই পাচার করছে চোরাকারবারি অস্ত্র ব্যবসায়ী ভূমিখেকো ফিরোজ বাহিনীর জাফলংয়ের ফিরোজ মিয়া,বিশ্বনাথী ফজুল ইসলাম,গুচ্ছগ্রামের মান্না মিয়ার ছেলে নাজিম উদ্দিন এদের নেতৃত্ব রয়েছে জাফলং এর সকল অবৈধ কর্মকান্ড।

গোয়াইনঘাট থানার ওসির নাম ভাঙ্গিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে চোরাকারবারিদের কাছে থেকে দৈনিক লক্ষ লক্ষ টাকা
আর এ সকল চোরাকারবারিদের নেতৃত্ব দিচ্ছে ডিবি- পুলিশ-বিজিবির নামধারী লাইনম্যান বিশ্বনাথের ফয়জুল ইসলাম, জাফলংয়ের ফিরোজ মিয়া,গুচ্ছগ্রামের নাজিম উদ্দিন। এই চক্রটি ডিবি- পুলিশ-বিজিবির নামে দৈনিক রাতে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে আসছে।

এই চক্রে সাথে রয়েছেন,জৈন্তাপুর বিলাইমারা গ্রামের মো. সিদ্দিক মিয়া,জাফলং নতুন বাজারের মো. সামছুল মিয়া,নায়াবস্তির গ্রামের কালা সামছু, হাসু মিয়ার ছেলে রুবেল আহমদ।

এদের মধ্যে নাজিম উদ্দিন সব কিছুর হয়ে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে সরাসরি ডিবির পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে সোনাটিলা গ্রামের টাকা তুলার দায়িত্বে রয়েছে হাসু মিয়ার ছেলে রুবেল আহমেদ।

দৈনিক বিজয়ের বানী প্রত্রিকার অনুসন্ধানে এসব তথ্য জানা যায় সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের নলজুরী বাজার, তামাবিল স্থলবন্দর, সোনাটিলা, গুচ্ছগ্রাম, সংগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের নিচে মালেকের ঘাট, বল্লাঘাট জিরো পয়েন্ট, লামা পুঞ্জি,নকশীয়া পুঞ্জি, লন্ডনী বাজার সীমান্ত দিয়ে অবাধে ভারতে পাচার হচ্ছে মটরশুঁটির, দেশী সুপারি, সাদা পাতা, শুটকি, প্লাস্টিক পণ্য।

আর ভারত থেকে দেশে আসছে গরু-মহিষ, কসমেটিক্স,মদ,ইয়াবা, হিরোইন , অস্র -গোলা- বারুদ ও সিগারেট ইত্যদি। এই ভারতীয় কসমেটিকসের সয়লাভ জাফলং পিকনিক সেন্টারের দোকান গুলো।

কোন দিন এই দোকান গুলোতে স্থানীয় প্রশাসন কোনদিন অভিযান চালায়নি। তাও আবার দোকান গুলো বিজিবি ক্যাম্পের সামনে এবং বল্লাঘাট সেন্টারে রয়েছে।

ভারতী পণ্যের বিরুদ্ধে ডিবি- পুলিশ-বিজিবি নিরব ভূমিকা পালন করলেও র‌্যাব-৯ এর অভিযানে সর্বদাই আটক হচ্ছে ভারত থেকে দেশে আসা কসমেটিকস্, মাদক- অস্র-গোলা-বারুদ ও সিগারেট-নাসির বিড়।

কিন্তু এই লাইনম্যান চক্রের বিরুদ্ধে কোন ধরণের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না গোয়াইনঘাট পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে। যার ফলে এই চক্রটি দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

তারা স্থানীয় বিজিবি-ডিবি-পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে অপেন চোরাকারবারিদের নিকট থেকে নিয়মিত টাকা আদায় করে আসছে।

লাইনম্যান ফয়জুল, ফিরোজ মিয়া- নাজিম উদ্দিনসহ তারা তাদের নিজস্ব লোকের মাধ্যমে রাতের আধারে চোরাকারবারিদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করে। তাদেরকে টাকা না দিলে তারা বিজিবি ও ডিবি- পুলিশ দিয়ে মালামাল আটক করিয়ে দেয় এমন অভিযোগ চোরাকারবারিদের।

প্রতিদিন সন্ধা রাত থেকে শুরু করে দেশী মালামাল ভারতে পাচার আর ভোর হলেই সেই লেবার গণ দেশে ফেরার সময় শুরু করেন ভারতীয় অবৈধ মালামাল পাচার। এভাবেই চলছে জাফলং সীমান্ত দিয়ে অবৈধ মালামাল পাচারের হিড়িক।

সীমান্ত এলাকার স্থানীয়রা জানান, এই লাইনম্যান চক্রের প্রধান হলেন জাফলংয়ের পিয়াইন নদীর চাঁদাবাজ ভূমিখেকো ফিরোজ মিয়া,ফয়জুল ইসলাম- নাজিম উদ্দিন- মাননীয় মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপির রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সু-সম্পর্ক রেখে এবং তাদের কাছ থেকে ভারতে মালামাল পাচারের লাইন নিয়ে এ সকল কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়রা কেউ তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি, এসবের প্রতিবাদ করলে খেতে হয় মিথ্যা মামলা।

অপরজন হলেন জামাই সুমন, যিনি গোয়াইনঘাট থানার আব্দুল হাই ওসির আমলে কয়েক বার গ্রেফতার হয়েছেন এই চোরাচালান ও ছেক জালিয়াতির দায়ের করা মামলা। কিন্তু যত বার তিনি আটক হয়েছেন ততবার তার লোকজন ওসিদের সাথে রহম দহম করে ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন।

এই চোরাকারবারির সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে অর্ধশতক নিউজ প্রকাশ করায় কলম সৈনিক জাকির হোসেন সুমন কে গত ৭মার্চ দুপরে সিলেট জজকোর্টের গেইটের সামনে থেকে সন্ত্রাসী দিয়ে ছিনতাই ও অপহরণ করার চেষ্টা চালায়।

এই সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে এলাকার কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পায়না। অন্যজন হলে নামধারী সংবাদকর্মী জামাই সুমন জাফলং নিউজ২৪.ডটকম সম্পাদক ও প্রকাশক ও গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি তিনি মানুষ কে বিভিন্ন পরিচয় ও হুমকি দিয়ে এমন কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।

তার আবার কিছু অসাধু প্রশাসনের লোকজনের সাথে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। এসকল চাঁদাবাজরা জাফলং এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা চাঁদাবাজি করে ডিবি- পুলিশ-বিজিবির নাম ভাঙ্গিয়ে চোরাকারবারিদের নিটক থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। ভারতে পাচার করছে দেশের মূল্যবান সম্পদ ও দেশে আসছে ভারতী মাদক দ্রব্য।

ভারতীয় চোরাচালান বন্ধে ও বিজিবি-পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধ টাকার লাইনম্যান পিয়াইন নদীর শীর্ষ চাঁদাবাজ ফিরোজ মিয়া,ফয়জুল ইসলাম,গুচ্ছগ্রামের নাজিম উদ্দিন, কালা সামছুল,সিদ্দিক মিয়া,সামছুল মিয়া, এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আশু হস্থক্ষেপ কামনা করছেন জাফলংয়ের সচেতন মহল।

এবিষয়ে গতকাল গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ মহোদয়ের সাথে আলাপ কালে তিনি জানায়, ভারত থেকে যদি পণ্য প্রবেশ বিষয়ে আমরা অবগত নয়, তারপরেও যদি মাদক সহ যেকোন পণ্য আসে তাহলে থানায় অবগত করার জন্য অনুরোধ করেন,তিনি আরও বলেন- পণ্যগুলো জব্দ করে দেশের আইনে চোরাচালানীদের শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বল জানান তিনি।

ad

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ad
ad
© All rights reserved 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি