1. dainikbijoyerbani@gmail.com : দৈনিক বিজয়ের বানী : দৈনিক বিজয়ের বানী
  2. zakirhosan68@gmail.com : dev : dev
প্রকৃতি যেন নিজেকে উজার করে সৈান্দর্য বিলিয়ে দিয়েছে “মিনি সুইজারল্যান্ডে” - dainikbijoyerbani.com
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
ad

প্রকৃতি যেন নিজেকে উজার করে সৈান্দর্য বিলিয়ে দিয়েছে “মিনি সুইজারল্যান্ডে”

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ১০ Time View

মো.নাহিদুল হক,

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকৃতি যেন নিজেকে উজাড় করে সৈান্দর্য বিলিয়ে দিয়েছে এই বেলাভূমিতে। বিস্তির্ন এলাকাজুড়ে বালুর মাঠ। রয়েছে সাড়ি সাড়ি ঝাঁউ গাছের বাহারি বাগান। লাল কাকড়ার ছুটোছুটি। এক পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মন উজার করা নান্দনিক লেক। অন্য পাশে সাগরের ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে কিনারায়। সব চেয়ে আকর্ষনীয় বিষয় সূর্যদয় দেখা যাশ এখান থেকে।সবমিলিয়ে প্রকৃতির আয়োজনে অপার

সৌন্দর্যের এ স্থানটির নাম দিয়েছে “মিনি সুইজারল্যান্ড। ইতিমধ্যে কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের মনমাতানো একটি স্পট হিসেবে গড়ে উঠেছে। তবে, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এটি আরো নান্দনিক স্পট হিসেবে গড়ে উঠবে এমনটাই মনে করছেন পর্যটকসহ স্থানীয়রা।

জানা যায়, সাগরকন্যা কুয়াকাটার পূর্বদিকে গঙ্গামতি বীচ পয়েন্ট শেষ প্রান্তে এর অবস্থান। কুয়াকাটা বেড়ীবাঁধ দিয়ে কয়েক কিলো পূর্বদিকে মটরসাইকেল কিংবা যেকোন যানবাহনযোগে আসা যায় গঙ্গামতি স্পটে। গঙ্গামতি বীচ পয়েন্ট থেকে রওয়ানা হলেই একপাশে বিশালাকার সাগর আর অপরপাশে রয়েছে সাড়ি সাড়ি ঝাঁউবন।

এর মাঝখানে লাল কাকড়ার চর। সাগরের গর্জন আর লাল কাকড়ার লুকোচুড়ি দেখতে দেখতেই চলে আসবে কাংখিত “মিনি সুইজারল্যান্ড”। তবে, দূর্গম যাতায়ত, পর্যটকদের ওয়াশ রুম এবং খাবার সংকটের নিরসন করা এখন সময়ের দাবী।

পটুয়াখালী থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক নাঈমুর রহমান, সাইফুল ইসলাম ও স্থানীয়নরুবেল খলিফা জানান, মিনি সুইজারল্যান্ডে ঘুরতে এসে তাদের খুব ভালো লাগছে।

পড়ন্ত বিকেলে সমুদ্রের গর্জন এবং প্রাকৃতিক দৃশ্য মনোমুগ্ধকর। তবে, ওয়াশরুম ও খাবারের ব্যবস্থা করা দরকার বলে তারা জানান।মিনি সুইজারল্যান্ডের ব্যবসায়ী তরিকুল বলেন, সরাসরি সড়ক ব্যবস্থা না থাকায় সমুদ্রের পাড় দিয়ে এখানে আসতে হয়। এতে বর্ষা মৌসুমে পর্যটকদের আসতে খুব অসুবিধা হয়। এসময় স্পটটি প্রায় পর্যটক শূন্য থাকে। এছাড়া, ওয়াশ রুমের অভাবে চরম ভোগান্তিতে পরতে হয় নারী পর্যটকদের। সরকারি উদ্দোগে সড়ক ব্যবস্থা, ওয়াশরুম এবং খাবার হোটেলের ব্যবস্থা করলে মিনি সুইজারল্যান্ড

একটি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে দেশ ও বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি পাবে বলে দাবী করেন তিনি।এবিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউছার হামিদ বলেন, কুয়াকাটা সীবিচ এবং মিনি সুইজারল্যান্ডসহ সবগুলো পর্যটন স্পট উন্নতিকরনে সরকারি পরিকল্পনা রয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এসকল কাজ শুরু হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

ad

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ad
ad
© All rights reserved 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি