1. dainikbijoyerbani@gmail.com : দৈনিক বিজয়ের বানী : দৈনিক বিজয়ের বানী
  2. zakirhosan68@gmail.com : dev : dev
বেতাগীতে এইচএসসি ফলে বড় ধাক্কা, চার কলেজে পাসের চেয়ে অকৃতকার্য বেশি - dainikbijoyerbani.com
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
ad

বেতাগীতে এইচএসসি ফলে বড় ধাক্কা, চার কলেজে পাসের চেয়ে অকৃতকার্য বেশি

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩০ Time View

মোঃ সোহেল রানা (বরগুনা)

বরগুনার বেতাগীতে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে চারটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। প্রকাশিত ফলাফলের বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানগুলোতে উত্তীর্ণের তুলনায় অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি। বিশেষ করে বেতাগী সরকারি কলেজ ও চান্দখালী মোশাররফ হোসেন কলেজে অনুত্তীর্ণের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।

প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বেতাগী সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে ৫৮ জন উত্তীর্ণ এবং ১০২ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। মানবিক বিভাগে ১৫৭ জন উত্তীর্ণ ও ২৫৭ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩১ জন উত্তীর্ণ এবং ৪৭ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। তিন বিভাগে প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী মোট উত্তীর্ণ ২৪৬ জন এবং অনুত্তীর্ণ ৪০৬ জন।

চান্দখালী মোশাররফ হোসেন কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে ২২ জন উত্তীর্ণ ও ৩৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। মানবিক বিভাগে ৬১ জন উত্তীর্ণ এবং ১৫১ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৪ জন উত্তীর্ণ ও ২১ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। তিন বিভাগে মোট ৯৭ জন উত্তীর্ণ এবং ২০৮ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন।

বিবিচিনি কলেজের ফলাফলও সন্তোষজনক নয়। প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞান বিভাগে ৪ জন উত্তীর্ণ ও ৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। মানবিক বিভাগে ৯ জন উত্তীর্ণ এবং ৪৫ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে মাত্র ১ জন উত্তীর্ণ ও ২ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। তিন বিভাগে মোট ১৪ জন উত্তীর্ণ এবং ৫৩ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন।

অন্যদিকে, বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের মানবিক বিভাগে ৭ জন উত্তীর্ণ এবং ১৯ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন।

প্রাপ্ত বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং ৬৮৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। অর্থাৎ প্রকাশিত এই হিসাবেও উত্তীর্ণের চেয়ে অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি।

এমন ফলাফলের পেছনে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন, পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষকদের ভূমিকা, প্রতিষ্ঠানের তদারকি এবং অভিভাবকদের সচেতনতার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল পর্যালোচনা, দুর্বল শিক্ষার্থীদের চিহ্নিতকরণ এবং কার্যকর শিক্ষা পরিকল্পনা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।

ad

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ad
ad
© All rights reserved 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি