1. dainikbijoyerbani@gmail.com : দৈনিক বিজয়ের বানী : দৈনিক বিজয়ের বানী
  2. zakirhosan68@gmail.com : dev : dev
খাসজমির উপর রাকাব শাখা - dainikbijoyerbani.com
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
ad

খাসজমির উপর রাকাব শাখা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১
  • ১৭০ Time View

খাসজমির উপর রাকাব শাখা

৩১ বছর অবৈধ ভাবে ভাড়া আদায়!

নুরল আমিন বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সরকারি জমির উপর ঘর নিমার্ণ করে ব্যাংকের কাছে ভাড়া দিয়ে ৩১ বছর ধরে ভাড়া উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নীলফামারী সদর উপজেলার চাপড়া সরমজানী ইউনিয়নের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) যাদুরহাট শাখার এঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সূত্র জানায়, ১৯৮৯ সালের ১লা জুন ওই ইউনিয়নের জনৈক আজিজার রহমান চৌধুরীর পুত্র আবুল কাশেম চৌধুরী বেড়াডাঙ্গা মৌজার জেএলনং ৯৯ এর ১৫১ খতিয়ানে ৯২০৬ বাটা ১০১৩৬ দাগে ৪ শতাংশ জমির উপর আধাপাকা টিনসেড ঘর নির্মাণ দেখিয়ে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এর যাদুরহাট শাখার সাথে ভাড়ায় চুক্তিবদ্ধ হয়। কয়েক দফায় জড়জীর্ণ ব্যবহারে অনুপোযোগী শাখা ভবনটির ভাড়াবৃদ্ধি হলেও বছর খানেক আগে নতুন করে ভাড়া বৃদ্ধির এগ্রিমেন্ট করার সময় বিষয়টি নজরে আসে সংশ্লিষ্টদের। সূত্র জানায়, যে দাগ ও খতিয়ানের কাগজপত্র দিয়ে আবুল কাশেম চৌধুরী রাকাবের সাথে চুক্তিপত্র করে সেই জমি থেকে প্রায় তিনশতগজ দূরে রয়েছে বর্তমানে শাখা ভবনটি। একই সূত্র জানায়, চুক্তি পত্রের সাথে আবুল হোসেন চৌধুরী যে সমস্ত কাজপত্র দাখিল করেছেন তাও সঠিক নয়। কাগজপত্র ঘেটে দেখা যায় ২০১৬ ইং সালের ৪ঠা ফেব্রয়ারি সহকারি কমিশনার (ভূমি), নীলফামারী সদর বেড়াডাঙ্গা মৌজার উল্লিখিত (৯২০৬ দাগের ১.২৪ একর ও ৯২০৬/১০১৩৬ দাগের ০.২১ একরসহ মোট) ১.৪৫ একর জমি ১৯৭৫ সালের ২রা জুন ১০২৮৪ নং দলিল মূলে সামছুল হুদা চৌধুরী, পিতা মৃত-আমানতুল্যা চৌধুরী ও এয়াকুব আলী, পিতা মৃত-এছলাম উদ্দিন চৌধুরী সোটা পীর সরকারি প্রাইমারী স্কুলের নামে ডেপুটি কমিশনার, রংপুর-এর নামে দলিল করে দেয় মর্মে প্রতিবেদন দেন। এছাড়া চাপড়া সরমজানী ইউনিয়ন ভূমি অফিস ১৯৯৪ সালের ২৫মে উল্লেখিত দাগের জমি আবুল কাশেমের নয় মর্মে উল্লেখ করে উক্ত জমি মাহাতাব উদ্দিনগং এর বলে প্রতিবেদন দেয়। অভিযোগ পাওয়া গেছে, বিষয়গুলি যথাসময়ে ব্যাংকের উপর মহলে জানানোর পরেও বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মনীতি উপেক্ষা করে একটি মহলের যোগসাযোশে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ভাড়া আদায় করে আসছেন আবুল কাশেম চৌধুরী। এ বিষয়ে শাখা ব্যবস্থাপক মাইদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি তিনি শুনেছেন, তবে পূর্বের চুক্তি অনুয়ায়ী চলতি বছরের মার্চ মাসে ভাড়া বৃদ্ধিসহ নতুন করে এগ্রিমেন্ট করা হয়েছে। এ ব্যাপারে রাকাব, জোনাল ব্যবস্থাপক আজিজুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, জমির মালিকানার বিষয়ে শাখা ব্যবস্থাপক যা বলবেন তাই সঠিক। অপরদিকে জমির মালিকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার পুত্র সিরাজ চৌধুরী ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, এটা তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি।

ad

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ad
ad
© All rights reserved 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি