
বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বর প্রার্থী ও বর্তমান মেম্বর আনোয়ার হোসেন মন্টু বিশ্বাসকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্ত একই ওয়ার্ডের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী মেম্বর প্রার্থী আব্দুস সালাম আকন বললেন সব সাজানো নাটক।
অভিযোগে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০ টায় মেম্বর আনোয়ার হোসেন মন্টু স্থানীয় ঢালী পাড়া থেকে বাড়ি ফেরার পথে আকনবাড়ী কাছে আসলে প্রতিদ্বন্দ্বি মেম্বর প্রার্থী আব্দুস সালাম আকন ও সুমন বিশ্বাস দলবল নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার উপর হামলা চালায়। এ সময়ে মন্টু মেম্বর দৌড়ে পাশবর্তী লতিফ আকনের ঘরের দৌতলায় আশ্রায় নেন। এতে হামলাকারীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উক্ত ঘরে ভাংচর করে এবং দরজা, টিনের বেড়া এবং জানালা কুপিয়ে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে লুটপাট করে। ভাংচুর চলাকালে মন্টু মেম্বর বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জকে মুঠোফোনে এ ঘটনা জানালে পুলিশ ঘটনা স্থলে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। লতিফ আকনের স্ত্রী খালেদা বেগম জানান, হামলাকারীরা তার আলমিরার তালা ভেংগে ৫ ভরি স্বর্ণ এবং নগদ ৭৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ১নং ওয়ার্ডের মেম্বর মো: আনোয়ার হোসেন মন্টু বিশ্বাস বলেন, আমাকে হত্যা করার জন্য সালাম বাহিনী ও সুমন বাহিনী যৌথভাবে আমার উপর হামলা চালায়। আমাকে দুনিয়া সরিয়ে দিতে পারলেই তার মেম্বর হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এর আগেও এ বাহিনী আমাকে হত্যার হুমকি দেয়। এ বিষয়ে আমি বেতাগী থানায় একটি সাধারর ডায়েরী করেছি। মন্টু মেম্বরের বড় ভাই মো: কাদের বিশ্বাস বলেন, বেতাগী থানায় মামলা করতে থানায় গেল পুলিশ মামলা গ্রহণ করেননি। যদি বেতাগী থানা মামলা গ্রহণ না করে তাহলে আমরা কোর্টে মামলা করব।
১ন ওয়ার্ডের মেম্বর প্রার্থী ও হামলার অভিযুক্ত আব্দুস সালাম আকন বলেন, আমার জনপ্রিয়তা ইর্শান্বিত হয়ে আমাকে ঘায়েল করার জন্য তিনি তার লোকজন দিয়ে এসব নাটক সাজিয়েছে। আামি এবং আমার লোকজন এ ধরনের কোন প্রকার হামলা করিনি। তিনি আরও বলেন, অমার কোন বাহিনী নাই। অপর অভিযুক্ত সুমন বিশ্বাস বলেন, আমি মন্টু বিশ্বাসসের চাচাতো ভাই হয়ে কেন সালাম আকনের পক্ষে সমর্খন দিয়ে কাজ করি তার জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। এর আগেও আমাকে বিভিন্নভাবে প্রাণ নাসের হুমকি দিয়ে আসছে। এ বিষয়ে আমি বেতাগী থানায় জিডি করেছি। তারা সবসবই নাটক করে আসছে।
বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী শাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। মামলা দিতে থানায় আসেনি। এলাকার নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন বলেন এ মন্টু মেম্বর কেন লতিফ আকনের ঘরে সবসময় যাওয়া আসা করে সে ব্যাপারে এলাকায় রয়েছে কানাঘুষা। তার এলাকায় কোন ভোট নেই সেকারনেই একের পর এক নাটক সাজিয়ে আলোচনায় আসতে চাচ্ছ। এমন কোন ঘটনা হলে আমরা কদমতলা বাজারে ব্যবসা করি অবশ্যই শুনতাম। এসব বানোয়াট।
Leave a Reply