1. dainikbijoyerbani@gmail.com : দৈনিক বিজয়ের বানী : দৈনিক বিজয়ের বানী
  2. zakirhosan68@gmail.com : dev : dev
সিলেটে ঘাটতি নেই বিদ্যুতের, তবুও ভোগান্তি চরমে নগরবাসীর। - dainikbijoyerbani.com
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:১৮ অপরাহ্ন
ad

সিলেটে ঘাটতি নেই বিদ্যুতের, তবুও ভোগান্তি চরমে নগরবাসীর।

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫৭২ Time View

সিলেটে ঘাটতি নেই বিদ্যুতের, তবুও ভোগান্তি চরমে নগরবাসীর।

সিলেট ব্যুরো:
সিলেটে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের সরবরাহ প্রায় তিন গুণ। কোন ঘাটতি নেই বিদ্যুতের। এরপরও বিদ্যুৎ নিয়ে ভোগান্তি পৌঁড়েছে চরমে। উন্নয়নের নামে সপ্তাহের প্রতি শনিবার টানা ১০ ঘন্টা বন্ধ রাখা হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ।

এছাড়া প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ বার আসা যাওয়া করে বিদ্যুৎ। এই আসা যাওয়াকে লোডশেডিং বলতে নারাজ কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, উন্নয়ন কাজের জন্যই এই ভোগান্তি। আর এই ‘উন্নয়ন ভোগান্তিতে’ সিলেটে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) চার লাখ গ্রাহকের ত্রাহি অবস্থা।

সিলেট জেলায় বিউবোর গ্রাহক রয়েছেন প্রায় চার লাখ। আর গ্রাহকদের বিদ্যুতের চাহিদা ১৪৪ থেকে ১৪৫ মেগাওয়াট। কিন্তু সিলেটে সরবরাহ রয়েছে প্রায় ৪৩০ মেগাওয়াট। চাহিদার প্রায় তিন গুণ সরবরাহ থাকলেও স্বস্তিতে নেই সিলেটের মানুষ। বিদ্যুতের ভোগান্তি এখন সিলেটের মানুষের নিত্যসঙ্গী। আকাশে মেঘ জমলেই চলে যায় বিদ্যুৎ।

আর সামান্য ঝড়ো হাওয়া হলে তো আর দুর্ভোগের শেষ নেই। ঘন্টার পর ঘন্টা অন্ধকারে ঢাকা থাকতে হয় সিলেটবাসীকে। প্রাকৃতিক দুর্যোাগ বা বিরূপ আবহাওয়া ছাড়াও অন্ত নেই বিদ্যুৎ ভোগান্তির। প্রতিদিন টানা ৩-৪ ঘন্টা বিদ্যুৎহীন থাকছে সিলেটের বিভিন্ন এলাকা। এছাড়া দিনরাত সমান তালে চলে বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়া। এতে অনেক গ্রাহকের ইলেক্ট্রনিক্স জিনিসপত্রও নষ্ট হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সারাদিন বিদ্যুৎ নিয়ে ভোগান্তি চললেও এটা লোডশেডিং নয় বলে দাবি করছেন বিউবোর প্রকৌশলীরা। তাদের দাবি, সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকার ফিডারগুলোতে সংস্কার, রক্ষণাবেক্ষণ, তার ও খাম্বা বদলানো এবং সঞ্চালন লাইন মাটির নিচ দিয়ে নেয়ার কাজ চলমান থাকায় গ্রাহকদের এই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও প্রতিকুল আবহাওয়ার কারণে অনেক সময় ফিউজ পুড়ে যাওয়ার কারনেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে বলে দাবি করছেন তারা।

সিলেট নগরীর জেল রোডের মো. ডালিম আহমদ জানান, প্রতি শনিবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। এছাড়া দিনে প্রায় প্রতি ঘন্টায়ই বিদ্যুত আসা যাওয়া করে। গভীর রাতেও বিদ্যুৎ চলে যায়। ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা যাওয়ার কারণে তার বাসার ফ্রিজ নষ্ট হয়ে গেছে।

রমজানে বেড়ে যায় বিদ্যুতের চাহিদা। তাই রমজান মাসে ভোগান্তি কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকবে- এনিয়ে শঙ্কিত নগরীর হাওয়াপাড়ার বাসিন্দা মো. আল আমিন। তিনি বলেন, বিদ্যুতের যে ভেল্কিবাজি চলছে এতে মনে হচ্ছে না সেহরি ও ইফতারের সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে। বিদ্যুৎ না থাকলে রমজানে সিটি করপোরেশনের খাবার পানি সরবাহ নিয়েও সংকট তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

তবে বিউবো সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুল কাদির জানিয়েছেন, এখন যে ভোগান্তি চলছে রমজানে সেটা থাকবে না। কেবলমাত্র আগামী শনিবার অর্থাৎ ১৭ এপ্রিল উন্নয়ন কাজের জন্য টানা ৮-১০ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এছাড়া পুরো রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করা হবে।

প্রধান প্রকৌশলী আরও জানান, সিলেটে বিদ্যুতের কোন ঘাটতি নেই। তবে, সিলেটে পুরনো তার ও খাম্বা পরিবর্তনের কাজ চলছে। আন্ডারগ্রাউন্ড সঞ্চালন লাইনেরও কাজ চলমান। যে কারণে এখন গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ভোগান্তি সহ্য করতে হচ্ছে।

ad

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ad
ad
© All rights reserved 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি