1. dainikbijoyerbani@gmail.com : দৈনিক বিজয়ের বানী : দৈনিক বিজয়ের বানী
  2. zakirhosan68@gmail.com : dev : dev
গঙ্গাচড়ায় বাধ নির্মানের নামে লাজু মাষ্টার ও ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে অবৈধ বালু বিক্রির মহোৎসব - dainikbijoyerbani.com
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন
ad

গঙ্গাচড়ায় বাধ নির্মানের নামে লাজু মাষ্টার ও ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে অবৈধ বালু বিক্রির মহোৎসব

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৮২ Time View

গঙ্গাচড়ায় বাধ নির্মানের নামে লাজু মাষ্টার ও ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে অবৈধ বালু বিক্রির মহোৎসব

শরিফা বেগম শিউলী
রংপুর প্রতিনিধিঃ

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার পূর্ব ইসলী গ্রামে বাধ নির্মাণের নামে বালু সিন্ডিকেটদের অবৈধ বালু উত্তোলন। এলাকার প্রভাবশালী লাজু মাষ্টার ও স্থানীয় চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত চলে বালু উত্তোলনের এই মহোৎসব।রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষিটারী ইউনিয়নের পূর্ব ইসলী গ্রামের শত শত একর আবাদি জমি ও কৃষকের ফসল নষ্ট করে অবৈধভাবে অবাধে বালু উত্তোলন করায় হুমকির মুখে পড়েছে পূর্ব ইসলী এলাকাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কয়েকশ’ একর আবাদি জমি।

রাতের অন্ধকারে প্রতিদিন অবৈধভাবে লাজু মাষ্টার ও স্থানীয় চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন ধরে অবাধে বালু উত্তোলন করলেও তাদের বিরুদ্ধে কখনও ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন।
ফলে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে যারাই মুখ খুলেছেন তাদের নানাভাবে হেনস্থা করেছেন ওই দুই প্রভাবশালী বালু সিন্ডিকেটের নেতা। এলাকার অসহায় লোকজনের অভিযোগ- তারা স্থানীয় সাংসদ সদস্য মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপির লোকজন হওয়ায় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, তিস্তা নদীর পূর্ব ইসলীর চর এলাকায় লাজু মাষ্টার ও স্থানীয় চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদি ১৫ সদস্য বিশিষ্ঠ বাধ নির্মাণ কমিটি গঠন করে জলমহাল, বালু মহাল নীতিমালার বর্হিভূত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে দির্ঘদিন ধরে অবাধে বালু উত্তোলন করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা।এ দিকে বালু উত্তোলনের ফলে তিস্তা নদীর ভাঙন ছুটছে লোকালয়ের দিকে। এ কারণে হুমকির মুখে পূর্ব ইসলীসহ কাকিনার এলাকাবাসী।

সরেজমিনে এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শ্রমিকরা বালু উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সেখানে বড় বড় ড্যাম ট্রাকে বালু বোঝাই করে স্থান ত্যাগ করছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে শ্রমিকরা জানান, এলাকার চেয়ারম্যান হাদি ও লাজু মাষ্টার আমাদেরকে কাজ করতে বলেছেন আমরা ট্রাক বোঝায়ের কাজ করছি। শ্রমিকরা আরও জানান, এ ব্যাপারে আরও কোনো কিছু জানার থাকলে সামনের বাজারে গেলে সবাইকে পাবেন। সেখানে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলতে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, বালু খেঁকো এ সিন্ডিকেট প্রতিদিন রাতে প্রায় দেড় দুইশ ট্রাক বালু বিক্রি করেন যার মূল্য প্রায় চৌদ্দ পনের লক্ষ টাকা। বাধ নির্মানের কথা বলে এরা হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। বাধে যদি এক ট্রাক বালু ফেলা হয় বাহিরে বিক্রি হচ্ছে বিশ ট্রাক। প্রতিটি ট্রাকে ১২০০ থেকে ১৫০০ সেফটি বালু বাহিরে বিক্রি হচ্ছে সাত হাজার টাকায়। সরকারীভাবে বাধের কোন খোঁজ খবর না থাকায় যে যেভাবে পারতেছে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লুটেপুটে খাচ্ছে।

এ বিষয়ে লাজু মাষ্টার সাংবাদিকদের বলেন, বাধ নির্মান করার জন্য আমি নিজেই উদ্দ্যোগ নিয়ে এলাকার চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসন ও থানার সাথে কথা বলে লক্ষিটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদি বলেন, সরকারীভাবে কোন অনুমোদন নেই আপনারা জানেন বন্যায় ঐ এলাকা পানিতে ডুবে যায়। তাই এলাকার লোকজন বেরি বাধের জন্য ওখান থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করা হচ্ছে। এটা তাদের স্বার্থেই কাজ করা হচ্ছে। এখানকার টাকা কেউ খাইতে পারবে না।

এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাংবাদিকদের বলেন, বাধ নির্মানের কথা বলে যদি কেউ বাহিরে বালু বিক্রি করে তাহলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।গঙ্গাচড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা বেগম বলেন, যেই হোক অবৈধভাবে কেউ বালু উত্তোলন বা বিক্রি করতে পারেনা। আমি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলবো প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।##

ad

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ad
ad
© All rights reserved 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি