
জাফলং মামার বাজারে শ্মশানঘাট দখলের মরিয়া ইউপি:সদস্য মন্ত্রীর সাইনবোর্ড সড়িয়ে পায়তারা।
সিলেট ব্যুরো:
সিলেটের গোয়াইঘাট উপজেলার পুর্ব জাফলংয়ের মামার বাজারে পূর্ব পুরুষদের রেখে যাওয়া স্থানীয় হিন্দুদের শ্মশান ঘাট দখলে মরিয়া জাফলং ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড ইউ পি সদস্য আতাউর রহমান আতাই মেম্বার।
জাফলং মামার বাজার পাথর টিলা শ্মশানঘাটি ২০০ বছর ধরে ব্যবহার করে আসছেন গণমাধ্যমকর্মীরা এ বিষয়ে অনুসন্ধান গেলে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের জনসাধারণের বক্তব্যকালে এসব তথ্য বেরিয়ে আসে বাবুলাল রায় – ময়না দেব নাথ – সুমন সাওতাল – লব গোয়ালা – মনি ভুমিজ – অনিল শিং – শেরগুল গোসাই – নিপেন রায় – বায়ু শিং – সুনিল তুরি-মিলন শিং – দুলন শিং – বিমল চন্দ্র – বাপন বুনাজী -সুমন তুরী -সজল গোয়ালা – অংশু গোসাই রানা- ময়না দেবনাথসহ একাধিক ব্যক্তিরা এসব তথ্য জানান।
আমাদের এই শ্মশান ঘাটে তাদের পূর্ব পুরুষদের ও শেষ কৃত অনুষ্ঠান করা হয়েছে।
এই শ্মশান ঘাটের উন্নয়ন ও সীমানাপ্রাচীর নির্ধারণের জন্য,জৈন্তাপুর- গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেত বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় মন্ত্রী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ইমরান আহমদ এমপি মহোদয়।
২০১৯-২০ অর্থ বছরে অনুদান প্রদান করেন ১,২৩ শতক ভূমি সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য, এবং মন্ত্রী মহোদয়ের নাম সম্বলিত ,দাগ নং খতিয়ান,নং মৌজা লিখে শ্মশানে নির্দিষ্ট জায়গাতে সাইনবোর্ড পুতে রাখা হয়, কিন্তু পাশে বাড়ী ইউ পি সদস্য আতাউর রহমান আতাই মিয়া রাতের আধারে সাইনবোর্ড সড়িয়ে জায়গা বৃদ্ধি করতে করতে পুরো জায়গায়টাই দখলে নিয়েছেন, এবং শ্মশান ঘাটের জায়গাটি উনার জায়গা বলে দাবী করছেন, বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে আমি গোয়াইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামিমুল ইসলাম তামিম স্যারের সাথে কথা বলি অদ্য ১২,৩৫ মিনিট ২৫ এপ্রিল তারিখে তিনি আশ্বস্ত করেছেন দালিলিক কাগজ পএ সহ অভিযোগ দিন অবশ্যই আমরা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আহাদ সাহেব এর সাথে শ্মশান দখলের বিষয়টি নিয়ে আলাপ করেন সিলেট জেলা যুব পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব কুমার পাল তিনি জানান বিষয়টি শুনেছি স্থানীয় চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযুদ্ধা লুৎফুর রহমান সাহেব সমাধানের চেষ্টা করছেন,সমাধান না হলে অভিযোগ পেলে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি অবিলম্বে শ্মশান ঘাটের জায়গাটি উদ্ধার করার করার জন্য জৈন্তাপুর- গোয়াইনঘাট- কোম্পানীগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি মহোদয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামিমুল ইসলাম তামিম ও গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আহাদ সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দরা।
সেই সাথে পরধনলোভী, ভূমিকেখো শীর্ষ চাঁদাবাজ সাবেক একাধিক মামলার আাসামী ইউ পি সদস্য আতাউর রহমান আতাই কে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ সিলেট জেলা ও কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের পক্ষ থেকে।
Leave a Reply