1. dainikbijoyerbani@gmail.com : দৈনিক বিজয়ের বানী : দৈনিক বিজয়ের বানী
  2. zakirhosan68@gmail.com : dev : dev
বাংলাদেশ পুনিবিস থেকে কেন বহিষ্কার হলেন কথিত বিএমএফ চ্যানেলের পরিচালক তারেক। - dainikbijoyerbani.com
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
ad

বাংলাদেশ পুনিবিস থেকে কেন বহিষ্কার হলেন কথিত বিএমএফ চ্যানেলের পরিচালক তারেক।

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১
  • ১৭৯ Time View

বাংলাদেশ পুনিবিস থেকে কেন বহিষ্কার হলেন কথিত বিএমএফ চ্যানেলের পরিচালক তারেক।

মুহাম্মদ আমির উদ্দিন কাশেম, জেলা প্রতিনিধি মৌলভীবাজার:-

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহুল আলোচিত ও পরিচিত সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠন “বাংলাদেশ পুরুষ নির্যাতন বিরোধী সোসাইটি”র সদ্য বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র জহুরুল ইসলাম তারেককে যেকারণে পুনিবিস থেকে বহিস্কার হলো তার বিস্তারিত তুলে ধরলেন অত্র সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি রাকিবুল ইসলাম শামীম।

তিনি বলেন গত ৩১/০৫/২০২১ইং রোজ সোমবার রাত ১.১৩ মিনিটে বহিস্কৃত তারেক সাহেবকে বলেছিলাম, তারেক ভাই আপনি যেহেতু আমাদের রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা করার দায়িত্ব নিয়েছেন, এবং রেজিষ্ট্রেশনসহ প্রাসঙ্গিক সকল সম্ভাব্য খরছের সমূদয় টাকা অনেকদিন আগেই নিয়ে নিছেন এবং বলছেন কাজ করতেছেন তাহলে আপনি রেজিষ্ট্রিশনের কাজ কতটুকু কিংবা টাকা-পয়সা কোথায় কিভাবে খরচ করেছেন, আমাদেরকে জানাবেন?

তখন বহিস্কৃত তারেক আমাকে উত্তর প্রদান করলেন আমি হিসাব দিতে বাধ্য নয়, আমার মত করে আমি কাজ করতেছি, কোন হিসেব দিতে পারবো না। অথচ আমাদের সোসাইটির টাকা দ্বারা সে রেজিষ্ট্রিশন কার্যক্রম পরিচালনা করতেছে, যা কি না সকলের জানার অগ্রাধিকার আছে।

এরপর আমরা স্থায়ী কমিটির সদস্যরা যখন সোসাইটি থেকে টাকা-পয়সার হিসাবের জন্য চাপ প্রয়োগ করি, তখনই তিনি হুট করে নিজের ব্যাক্তিগত কারণ দেখিয়ে বলে দিলেন আমি আর সোসাইটির সাথে থাকতে চাচ্ছি না, আমি অব্যাহতি দিয়ে দেবো, তখন আমরা বললাম ঠিক আছে আপনি আপনার ব্যক্তিগত কারণে থাকতে পারছেন না বা চাইছেন না, আমরা আপনাকে জোর করতে পারিনা, তবে আপনি অব্যহতি দিলে আমাদের রেজিষ্ট্রেশনের সকল কার্যক্রম বুঝিয়ে দিয়ে অব্যহতি পত্র দিয়ে দিবেন, তখন তিনি বললেন ওকে ঠিক আছে আমি সবকিছু বুঝিয়ে দিব এবং এসম্পর্কে যত ধরণের সহযোগিতা লাগে আমি করবো।
পরে হঠাৎ একদিন একটি অব্যহতি পত্র লিখে আমাদের স্থায়ী কমিটির গ্রুপে দিয়ে দিলেন, তখন আমরা আমাদের সংগঠনের অফিসিয়াল সকল ডকুমেন্টস বুঝিয়ে দেয়ার জন্য বললে একের পর এক তারিখ করতে থাকে, আর সময় গড়িয়ে যায় দিন থেকে সপ্তাহ তারপর মাসের পর মাস, কিন্তু কোন কাগজপত্র দিচ্ছে না , কলের পরে কল, ম্যাসেজের পর ম্যাসেজ দিচ্ছি , কিন্তু কোন রেসপন্স পাচ্ছি না আমরা কেহই।

সর্বশেষ দু’দিন আগে বললাম আপনি কি কাগজপত্রগুলো দিবেন তারেক ভাই? উনি উত্তর দিলো আমি সোসাইটি করতে দিবো না! এই সোসাইটির কথা ভুলে যান! এমনকি তিনি বলে ফেললেন পুনিবিস বাদ দিয়ে ফুনিবিস করার চিন্তা-ভাবনা করুন!
সভাপতি শামীম বলেন আমি বললাম তারেক ভাই এগুলো কি বলছেন? আপনাকে তো আমরা কিছু বলিনি,বরং আপনি স্ব-ইচ্ছায় অব্যহতি দিয়ে চলে যাচ্ছেন, সুতরাং আপনি কাগজগুলো দিয়ে দিলে আপনার সাথে আমাদের কোন রেশারেশি থাকবে না , কেন দিবেন না? আপনি একটি অনলাইন ভিত্তিক টিভি চ্যানেল পরিচালনা করতেছেন এখন আপনি আপনার ব্যাক্তিগত কারন দেখিয়ে অব্যহতি নিবেন, তাহলে ঠিক আছে আপনার চ্যানেল আপনি পরিচালনা করেন আর আমাদের সোসাইটির কাগজগুলো আমাদেরকে দিয়ে দিন।
আমরাও আমাদের সোসাইটি নিয়ে কাজ করি,
আপনার জন্য আমাদের দোয়া-ভালোবাসা থাকবে। আপনি আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

সর্বশেষে এরকম কয়েকবার বলার পরে তারেক সাহেব উত্তর দিলো,আমি কাগজপত্র দিব না, আপনাদের ক্ষমতা থাকলে কিছু করে দেখান?!

আমাদের যখন দেয়ালে পিঠ লেগে গেছে তাহলে এই অবস্থায় সেই অব্যহতিপত্র কিভাবে সোসাইটি গ্রহণ করবো? তারপরে সোসাইটির নির্বাহী কমিটির সম্মতিক্রমে বহিস্কার করা হয়।

সে আমাদেরকে চ্যালেন্জ করে বলেছে, আপনাদের ক্ষমতা থাকলে কিছু করে দেখান? সুতরাং আমাদের আর কোন রাস্তা ছিলোনা তাই করে দেখালাম, যা মাত্র শুরু হয়েছে, আরো শুরু হবে, যা তারেক সাহেবের জিবনের জন্য হুমকি স্বরুপ হবে।

কি করেছেন জানতে চাইলে পুনিবিসের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম শামীম বলেন আমরা কখনও অন্যায়, দুর্নীতি করিনা এগুলোকে প্রশ্রয়ও দেইনা, তাই উনার ব্যপারে একটু জানার চেষ্টা করলাম উনি কত বড় মাপের মানুষ যে উনি এই যুগে এসে এই ধরণের অন্যায়, অসংগতিপূর্ণ কাজ করেন আর এতো বড় বড় কথা বলেন তিনি, উনার ব্যপারে জানতে নামলো একটি দতন্ত দল রিপোর্টে আসলো মুখোশের আড়ালে থাকা তার আসল চেহারা প্রতিবেদনে জানা যায়, তারেক মিয়ার ছয়-সাতটি বিয়ের চান্চল্যকর তথ্য, বিভিন্ন জেলার মানুষকে বিভিন্ন সংস্থা থেকে মসজিদ, মাদ্রাসা, ঘর-বাড়ি দিবে বলে কোটি টাকা আত্মসাৎ, ডিভোর্সী নারীদের থেকে টাকা হাতিয়ে ভালো ছেলেদের সাথে বিয়ে দিবে বলে প্রতারণা, ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর কথা বলে টাকা নিয়ে প্রতারণা, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় কিংবা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লোক বলে গবিব মানুষের পেটে লাথি দিয়ে টাকা আত্মসাৎ ইত্যাদির পর্যাপ্ত পরিমান কল রেকর্ড, নিউজ, ডকুমেন্টস, ফেসবুক পোস্ট,ফটোসহ বিভিন্ন প্রমাণ।

ad

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ad
ad
© All rights reserved 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি