
দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ১৩ দফা বিধিনিষেধ জারি করে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এই বিধিনিষেধ না মেনে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের শুটকি পল্লীতে প্রায় চার শতাধিক শ্রমিকদের পদচারণা দেখা গেছে। এতে আতঙ্কে রয়েছে ওই এলাকার মানুষ।
বৃহস্পতিবার সকালে বউ বাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, স্বাস্থবিধি না মেনে শুটকি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পাড় করছে তারা। এসময় পুরুষ শ্রমিকের থেকে নারী শ্রমিকদের উপস্থিতি বেশি দেখা যায়।
জানা যায়, ৩-৭ দিনের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী নিয়ে গভীর সাগরে মাছ শিকারে যাত্র শুরু করে জেলেরা। খাদ্যসামগ্রী শেষ হওয়ার আগেই সাগর থেকে মাছধরে আসা ট্রলার গুলো নির্ধারিত শুটকি পল্লীতে নোঙ্গর করে। সেখান থেকে মাছ নেয়া হচ্ছে পল্লীতে। সামাজিক দূরত্ব না মেনে এ কাজে যুক্ত আছে কয়েক’শ শ্রমিক।
স্থানীয়রা জানান, প্রশাসনের নাকের ডগায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের শুটকি তৈরীতে কাজ করছে তারা। এছাড়াও প্রতিটি হাট বাজারে মানুষের উপচে পড়া ভির দেখা যায়। এবং প্রতিদিনের ন্যায় চরমোন্তাজ থেকে ছেড়ে গেছে যাত্রী ও মালবাহী ট্রলার। এতে উপজেলা প্রশাসন ও রাঙ্গাবালী থানার নানাবিধি কার্যক্রম চলমান থাকলেও নিরব ভূমিকা পালন করছে ‘চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র’।
সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন মানাতে ‘চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র’ তৎপর না হলে উপকূলে করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে মনে করছে সচেতন মহল।
চরমোন্তাজ ইউনিয়নের সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী এম আজাদ খান সাথী বলেন, লকডাউনে সামাজিক দূরত্ব সহ মাক্স না পড়ে সবাই যেভাবে বাজারে আসছে এতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে। এখনই প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে তানাহলে পরে করোনা সংক্রমণের বৃদ্ধি ঠেকানো যাবেনা।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাশফাকুর রহমান জানান, লকডাউন সফল করার লক্ষে নদীপথে যাত্রীবাহী সকল নৌযান বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মানতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
বার্তা প্রেরক,
সঞ্জিব কুমার সাহা
রাঙ্গাবালী,পটুয়াখালী।
০১৭31811116
Leave a Reply