
সুন্দরগঞ্জের কিশোর কিশোরীরা অনলাইন গেমে ব্যস্ত- হুমকির মুখে তাদের ভবিষ্যৎ
মো: আ: রহমান (শিপন), সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা (প্রতিনিধি)
গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় দিন দিন ইন্টারনেটে ঝুঁকছে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও উঠতি বয়সী কিশোর-কিশোরীরা। করোনা ভাইরাসের প্রদুভাবের কারনে সরকারি নিদের্শনা মতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনলাইন গেম ফ্রি ফায়ার ও অন্যান্য অনলাইন খেলায় জড়িয়ে পড়ছে অধিকাংশ স্কুল পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত এ সকল উঠতি বয়সীরা ফ্রি ফায়ার নামক গেমের নেশায় জড়িয়ে থাকছে। পিতা -মাতার কথা মতো চলতে নারাজ তারা। যে বয়সে আবদার হওয়ার কথা খেলাধুলার সামগ্রী তার বিপরীতে তাদের বতর্মান চাহিদা স্মার্ট ফোন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় ১৩ থেকে ২০ বছরের উঠতি বয়সের কিশোর- কিশোরীরা নিয়মিত স্মার্ট ফোন দিয়ে এসব গেমে আসক্ত হচ্ছেন। ফ্রি ফায়ার গেমে আসক্ত একজন শিক্ষার্থী জানায়, প্রথমে তার কাছে ফ্রি ফায়ার গেমস ভাল লাগত না। কিছু দিন বন্ধুদের দেখা দেখি খেলতে গিয়ে এখন সে আসক্ত হয়ে গেছে। সে আরও জানায় বর্তমানে কয়েকজন মিলে গ্রুপ তৈরি করে জুয়ার মত করে খেলা হয় এসব গেমস, যেখানে ব্যয় হয় নগত অর্থ। ফ্রি ফায়ার নামক গেমসকে মাদক দ্রব্যের নেশার চেয়ে ভয়ঙ্কর বলে উল্লেখ করেন স্থানীয় সুধীজন ও সচেতন নাগরিকরা। এই সমস্যা থেকে আমাদের সন্তান, ভাই-বোনদের বাঁচাতে হলে অভিভাবকদের পাশাপাশি সমাজের সচেতন মহল, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে তা না হলে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও কিশোর- কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ধ্বংসের মুখে পড়বে বলে জানান তারা।
Leave a Reply