1. dainikbijoyerbani@gmail.com : দৈনিক বিজয়ের বানী : দৈনিক বিজয়ের বানী
  2. zakirhosan68@gmail.com : dev : dev
সুন্দরবনে বনদস্যু সম্রাট- ফজলু বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ জেলে-বাওয়ালীরা - dainikbijoyerbani.com
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
ad

সুন্দরবনে বনদস্যু সম্রাট- ফজলু বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ জেলে-বাওয়ালীরা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩০ Time View

 

 

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে বনজীবীদের ওপর বনদস্যুদের অত্যাচারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে ফজলু বাহিনীর বিরুদ্ধে জেলে ও বাওয়ালিদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়সহ নানা ধরনের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এতে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। জীবিকার তাগিদে বনে গেলেও নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারবেন কি না, সেই দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাঁদের। সুন্দরবনের নদী-খাল ও বিভিন্ন এলাকায় মাছ, কাঁকড়া, মধু ও গোলপাতা সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করেন উপকূলীয় এলাকার হাজারো মানুষ। তাঁদের কাছে সুন্দরবন শুধু প্রাকৃতিক সম্পদের আধার নয়, জীবন-জীবিকারও অন্যতম অবলম্বন। কিন্তু বনদস্যুদের ভয়ে অনেক বনজীবী স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। বনজীবীদের অভিযোগ, বনে প্রবেশের পর দস্যুদের কবলে পড়লে তাঁদের নানা ধরনের চাপ ও হয়রানির শিকার হতে হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে জিম্মি করে পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করার ভয়ও থাকে। ফলে ঋণ নিয়ে নৌকা, জাল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনে বনে যাওয়া জেলেরা আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

 

জানা গেছে, সুন্দরবনে সাম্প্রতি ২১ জন জেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করেন সম্রাট ও ফজলু বাহীনির দস্যুদল। তার দায়ভায় অন্য দস্যুদল সাত্তার ও কিবরিয়া বাহীনির উপর দোষারোপ করেন। মূলত সাত্তার ও কিবিয়া বাহীনি জেলে বাওয়ালীদের সাথে খারাপ আচরণ করেনি, বা কাওকে জিম্মিও করেনি। মুলত সম্রাট -ফজলু বাহিনি তাদের অপহরন করে। এই বাহিনিটি অত্যাচার নির্যাতন চালাচ্ছ।

 

 

নাম প্রকাশে একাধিক জেলে জানায়,

ছাত্তার ও কিবরিয়া বাীনির জেলেদেরকে হযরানী করেনা। তাদের ব্যাবহর ভাল। তারা অসহায মানুষের সহযোীতা করে থাকে। তারা জেলেদের নিকট থেকে মাছ নিলেও তারা টাকা দিয় দেয়। মুলত সুন্দরনবনে নির্যাচত চালাচ্ছে সম্রাট ফজলু বাহিনী। স্থানীয় বনজীবীরা সুন্দরবনে নিয়মিত টহল জোরদার, দস্যুদের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান এবং অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বনে মাছ, কাঁকড়া ও বনজ সম্পদ আহরণে নিয়োজিত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।সুন্দরবনকেন্দ্রিক বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে উপকূলীয় জনপদের দরিদ্র মানুষের জীবন-জীবিকা আরও সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

কয়রা(খুলনা)

তাং-১৮-১০-২৬ ইং।

ad

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ad
ad
© All rights reserved 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি