1. dainikbijoyerbani@gmail.com : দৈনিক বিজয়ের বানী : দৈনিক বিজয়ের বানী
  2. zakirhosan68@gmail.com : dev : dev
গারো পাহাড়ে বন্যহাতি সুরক্ষায় ভারতের সঙ্গে শিগগিরই সংলাপ: পরিবেশমন্ত্রী - dainikbijoyerbani.com
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
ad

গারো পাহাড়ে বন্যহাতি সুরক্ষায় ভারতের সঙ্গে শিগগিরই সংলাপ: পরিবেশমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮ Time View

 

 

শেরপুর প্রতিনিধি(কাকন সরকার) :

গারোপাহাড়ে বিচরণরত বন্যহাতি সুরক্ষায় এবং মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে আগের প্রটোকল অনুযায়ী ভারতের সঙ্গে শিগগিরই দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্দেশীয় সংলাপ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আওয়াল মিন্টু। আজ শনিবার শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।

 

মন্ত্রী বলেন, ভারতের মেঘালয় থেকে আসা প্রায় ১৩০-১৩৫টি বন্যহাতি সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার কারণে নিজ দেশে ফিরতে পারছে না। ফলে শেরপুরের গারো পাহাড়ে এগুলো আটকা পড়েছে। এই সংকটের স্থায়ী সমাধানে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে কাঁটাতারের গেট খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। একই সঙ্গে শেরপুরের বনভূমিকে বন্যহাতির জন্য একটি নিরাপদ ও স্থায়ী আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

শেরপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বন্যহাতির বিচরণকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন হাব বা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, এর ফলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মানুষ-হাতির মধ্যকার বিদ্যমান সংঘাত চিরতরে নিরসন হবে।

 

শেরপুর জেলা প্রশাসন ও ময়মনসিংহ বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী বলেন, “বন্যহাতি কোনো আপদ নয়, এটি আমাদের পরিবেশের অমূল্য সম্পদ। হাতি ও মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে করিডর সংরক্ষণ জরুরি এবং এর জন্য দ্রুত আন্তর্জাতিক সংলাপ প্রয়োজন।”

 

প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, শেরপুরের সীমিত বনাঞ্চলে এই বিপুল সংখ্যক হাতির খাদ্য ও বিচরণের পর্যাপ্ত স্থান নেই। যেহেতু হাতিগুলো সীমান্ত পেরিয়ে এসেছে এবং এখন ফিরতে পারছে না, তাই যথাযথ বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই কেবল এই সংকটের সমাধান সম্ভব।

 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নুরুল করিম। তিনি জানান, হাতির দলগুলোর চলাচল সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখতে ১০ জন করে সদস্য নিয়ে মোট ৫৩টি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ERT) গঠন করা হয়েছে এবং বনাঞ্চলে ৪৫টি আধুনিক এআই (AI) ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

 

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন—

 

বন সংরক্ষক (বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চল) মো. ছানাউল্যা পাটওয়ারী

 

কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক এ এস এম জহির উদ্দিন আকন

 

পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম

 

মতবিনিময় সভা শেষে বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ জন স্থানীয় বাসিন্দার মাঝে সরকারি ক্ষতিপূরণের অর্থ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ১০টি ইআরটি (ERT) টিমের সদস্যদের মাঝে প্রয়োজনীয় উদ্ধার ও সুরক্ষামূলক সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী উপস্থিত অতিথিদের নিয়ে মধুটিলা ইকোপার্ক এবং নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার পাহাড়ি জনপদে বন্যহাতির মূল বিচরণক্ষেত্রগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

ad

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ad
ad
© All rights reserved 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি